Wednesday, 27 April 2011

চুমুতে মাছের গন্ধ



হাজার বছর ধরে মাছ খেয়ে চলেছি বিছানায় বসে
কখনো রুই কখনো কাতলা কখনো পার্শে.
মাছ খেয়ে চুমু খেলে চুমুতে লেগে থাকে মাছের গন্ধ
আবেগে প্রেমিকার ঠোটে ঠোট হয়ে যায় বন্ধ
রুই মাছের চুমু তত ভাল হয় না যত ভাল হয় ইলিশ খাওয়া চুমু...
চুমু খেয়ে প্রেমিকা বলে দেয় আজ খেয়েছি কোন মাছ
তখনি মনে পরে যায় প্রথম চুম্বনের স্মৃতি সেই গাছ
আজো আছে দাঁড়িয়ে সেই নদীটির তীরে
আর সেই নদীতে ভেসে যাওয়া সেই সব মাছ
জাল দিয়ে ধরে সুসজ্জিত প্লেটে রাখা খাওয়ার টেবিলে.

পাকাপাকি


আমার পাকলো হাত
রবির পাকলো দাড়ি
তোমার জন্য কবিতা
আমি আজও লিখতে পারি

বাড়িতে পাকছে মেয়েটা
হাড়িতে পাকছে মাংস
এসো আমার কাছে
তোমায় করি ধ্বংস

গাছে পাকলো বেল
কাকের তাতে কি
একটুখানিই আসল
বাকি সবটাই মেকি

Monday, 25 April 2011

সেই তুমি


ভেবেছিলাম তো অনেক কিছুই করবো
কিন্তু সময় বড়ই কম
জোর করে তো এসব কিছুই হয়না
বৃথাই গেল সব পণ্ডশ্রম

সময় কাটছে বড়ই তাড়াতাড়ি
তোমার কথা ভাবতে আজ পারি
থাকলো বাকি অনেক কিছুই
একটু এগোই তো আরও অনেক পেছই
যদিও অনেকদিনই তোমার সঙ্গে আড়ি

(তবু)
হারিয়েও তো অনেক কিছুই পেলাম
তোমায় জানাই বিদ্রোহী লালসেলাম

প্রত্যাবর্তন


দুরবিনে উলটো দিকে লাগিয়েছি চোখ
তাই দূরকে দেখছি আরও দূরে
কোথা থেকে আবার উদয় হলে
হঠাৎ করে মাটি ফুঁড়ে

আসছে বসন্ত


আসছে বসন্ত
লিখব কবিতা
without হসন্ত

ঝরবে পাতা
কুড়িয়ে নিয়ে
বানাবো খাতা
কবিতার

শুখনো পাতা
খাতার মধ্যে
জমিয়ে রাখা
হবি তার

নয়কো মোটেই
রঙটা ফ্যাকাসে
আজকে আকাশে

আমিও ফাঁকা
জানি যে আমি
আজ ফাঁকা সে

চল পিৎ্জা খাই
কুঁড়ে ঘরেতে বসে
তুমি আর আমি

কেন জানি না
বলতে গিয়েও
থমকে থামি

লিখতে যে চাই
হাজার লাইন
আমার কথা

delete করে
কি সব লিখি
ভাট অযথা

রাতজাগানিয়া ঘুমভাঙ্গানিয়া


All-Out এ আর হয় নাকো কাজ
সারারাত মশা কামরায়
ঘুম ভেঙ্গে চেয়ে দেখি
বাদুড় ওড়ে জ্যোৎস্নায়...

সিগারেট


কমিয়ে দিলাম ধোঁয়ার ওজন
বাদামি ফিল্টার আজ সাদা
সুধুই তো নয় ওজোন লেয়ার
ফুসফুসেও আজ অনেক ছাঁদা